Skip navigation

Category Archives: Uncategorized

In the beginning, I sit alone in our classroom.

Like every new transfer student, I am a little nervous. However, my many experiences of transferring schools has hardened me to the feeling of uneasiness at knowing that I was soon to be the topic of local gossip.

Like every new transfer student, I had arrived at school much earlier than the others. I perch myself with a certain level of poise because of no reason in particular. You arrive a few minutes into my extended perching.

You walk to back of the empty classroom and relieve yourself of your baggage. As you turn around, you note my presence. You proceed to perch- and contemplate this sudden intruder- on your chair with your left hand on your face: the index on the philtrum, the thumb on your left cheek (I later came to recognize this as the spot where you dimple when you smile) and the rest of the fingers on your chin. Following this extended unanticipated contemplation, you hurry out of the classroom. I believe that you had taken on the role of the town-crier – to let the news of this new addition be known to the veteran schoolyard soldiers.

I should have realised that meeting you before the rest was an omen of sorts because afew months later you fall in love with me.

As the nature of these things are in middle school society, your affection became known to the rest of the boys. They openly tease you in front of me and sing love songs celebrating our anticipated union during those opportune moments when the teacher leaves the class to bring something he had forgotten (yet oh so necessary for imparting knowledge on impressionable teenagers!).

But my life isn’t (yet) all taking place at school! When visiting my uncle’s family, I tell a particular cousin of mine that I like you. I don’t really tell her your name and we laugh around for a bit about my young, crazy crush.

But what is this? I invite you to my birthday party and you eye my cousin! Is it possible that I could have been wrong in perceiving your feelings? Was it all my wishful thinking? I return home that evening and cry into my pillow. None is made privy of my misery, yet my insightful mother notes my state of mind and advises me to snap out of acting like my father-in-law had died! What comedy!

You fall in love with my cousin. You visit her regularly. You bring your uncle along on one of these visits to gain his approval. I brace my heart and decide that it must have all been in my head. As is the nature of young love, it ends. This takes the form of my cousin deciding that you are grossly disgusting- for what reason, I will never know.

Two years pass. You had long moved away from the school where we met- where I was now reigning as something of a sociable queen nerd. After some pleasantries are exchanged, one of which includes you teasing me about possible romantic exchanges between my older and handsome guitar instructor, you ask me how I feel about you.

I am shocked. Yet I stoically let you know that I will not think of you in a romantic way because you are my friend. You seem to confirm something to yourself and we eventually end the call on a friendly note.

To this day, I do not know what incited you to do the above mentioned act. Yet-

I thank you for tacitly letting me know that I am lovable. That my opinion of you mattered- even if only for a fleeting moment.

That your love for me was not-after all-in my head.


I have been afflicted with a disease called love for this


widely known as Kim Hyun Joong. Hence I have subscribed myself to every facebook group devoted to him and scour youtube with excessive enthusiasm for new videos. I chanced across a new ad for faceshop, one of his endorsements and came across yet another luscious photo. Hence I made a meme out of it 2 days ago.


I maintain that I am awesome.

That being said, I don’t own the photo in the middle. It is property of faceshop or whoever thought that it would be a great idea to streak eye-shadow across hyunnies face. The text associated is mine. Don’t you dare claim it as yours.

If I don’t face this now

I’ll regret all through my life

So, for you, I’ll go

Should this storm break my wings of flight

I’ll race against time and let you know

I won’t seek release from this vow.

There maybe rocking waves in the ocean

Fanged beasts among the trees

In my journey fear remains given

Yet from these I will never flee

Remember, to this call I’ve risen

Act, I will, till my love be proven.

Should in your eyes I see doubt or fear

Let me erase them once and forever

I will flood them with hope

And we’ll break free from here

Though this day knows not tomorrow,

This is all have to give

For us we have this moment

Forever this, we’ll keep.

So, long, till you call again, brother

As, you, there will never be another.

Nov. 03, 2010 at 2:00 am

লাঞ্চের পর আবারও আমাদের ডাল্টন স্যারের সাথে ক্লাস ছিল।এবার ইতিহাস। আমরা দ্বিতীয় বিশ্ব-যুদ্ধ নিয়ে পড়ছিলাম। এতে আমার খুব বেশি আগ্রহ ছিল না কিন্তু স্টীভ খুবই পছন্দ করতো। যুদ্ধ-বিগ্রহ এবং মারামারি সংক্রান্ত সব কিছুতেই স্টীভের প্রচন্ডরকম আগ্রহ ছিল। ও প্রায়ই বলত যে বড় হয়ে ও ভাড়াটে সৈনিক হবে, টাকার জন্য লড়াই করবে। আসলেই ও ওটা হতে চাইত!

ইতিহাসের পর আমাদের অংক ক্লাস ছিল, এবং অবিশ্বাস্য ভাবে তৃতীয়বারের মত সেটাও পড়াতে এলেন ডাল্টন স্যার! আমাদের অঙ্কের শিক্ষক অসুস্থ হয়ে স্কুলে আসতে পারছিলেন না, সুতরাং অন্যান্য শিক্ষকরা যে যখন পারতেন, উনার ক্লাসগুলো ভাগ করে নিয়ে নিতেন।

স্টীভ তো খুশীতে স্বর্গের সাত-তলায়! পর পর তিনটা ক্লাস তার প্রিয় শিক্ষকের! এই প্রথম ডাল্টন স্যার আমাদের অংক ক্লাস নিলেন। স্টীভের ‘ভাব’ আর দেখে কে! আমরা বইয়ের কোথায় আছি, কঠিন অংকগুলো কি ভাবে করতে হবে, স্টীভ এগুলো স্যারকে এমন ভাবে দেখিয়ে দিচ্ছিল যেন কোন বাচ্চা ছেলেকে শেক্ষাচ্ছে। কিন্তু মনে হল স্যার তাতে কিছু মনে করেন নি। তিনি স্টীভকে ভাল ভাবেই বুঝতেন, আর এ ও বুঝতেন ওকে কি ভাবে বশে রাখা যায়।

সাধারনত ডাল্টন স্যার ক্লাসে বেশ কড়া হলেও মজা করে পড়াতেন এবং আমরা সব সময়ই নতুন কিছু না কিছু শিখতাম। কিন্তু তিনি অংকে ভাল ছিলেন না। আমাদের অংক বোঝানোর জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন কিন্তু আমরা বুঝতে পারছিলাম যে সমস্ত অংক উনার মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে। অংক বইয়ে মুখ গুঁজে তিনি যখন অংক বোঝার চেষ্টা করছেন আর পাশ থেকে স্টীভ উপদেশ দিচ্ছে, তখন আমরা অন্যরা অস্থির হয়ে ফিসফিস করছিলাম এবং পুরোদমে নোট চালাচালি শুরু করে দিলাম।

আমি এলানকে একটি নোট পাঠিয়ে জানতে চাইলাম, ওই রহস্যময় কাগজ সে কোথা থেকে যোগাড় করেছে। প্রথমে কিন্তু ও এ ব্যপারে আমাকে কোন কিছু লিখতে চাইলো না, কিন্তু আমি বারবার নোট পাঠানোতে অগত্যা হার মানল। টমি ওর দুই সীট পরে বসেছিল সুতরাং টমিই প্রথমে কাগজটা পেলো এবং খুলে পড়া শুরু করে দিল। আমি দেখলাম প্রথমে ওর মুখ উজ্জ্বল হয়ে, পরে ধীরে ধীরে মুখ পুরো হা হয়ে গেল। তিনবার পড়ার পর ও যখন আমাকে দিল, তখন কারনটা বুঝতে পারলাম।

ওটা ছিল একটি ফ্লায়ার। কোন একটা ভ্রাম্যমান সার্কাস দলের বিজ্ঞাপনী প্রচারপত্র, যেটার সবচেয়ে উপরে একটি নেকড়ে বাঘের মুখের ছবি- বিরাট হা’র ভিতর দা্ঁত, আর তা থেকে লালা ঝরছে। সবচেয়ে নিচে একটি মাকড়শা এবং একটি সাপের ছবি ছিল, এবং ওগুলোও দেখতে ভয়ংকর।

নেকড়ের ঠিক নীচে লাল অক্ষরে বড় বড় লেখাঃ

সার্ক দু ফ্রিক

আর তার ঠিক নীচে ছোট করে লেখা,

শুধু মাত্র এক সপ্তাহের জন্য! সার্ক দু ফ্রিক!

সিভ এবং সীরসা – প্যাঁচানো জমজ!
সর্প-বালক! নেকড়ে-মানুষ! গার্থা টীথ!
লার্টেন ক্রেপ্সলি এবং তার অভিনব মাকড়শা!
ম্যাডাম অক্টা! আলেকজান্ডার রিবস্! দাড়িওয়ালা মহিলা!
হ্যান্স হ্যান্ডস! রেমাস টুবেলিস-বিশ্বের সবচেয়ে মোটা মানুষ!

আর এই সব লেখার নীচে একটা ঠিকানা দেয়া যেখান থেকে টিকেট কেনা যাবে। প্রদর্শনী স্থানের ঠিকানাও ওখানে দেয়া ছিল। এবং নীচে যেখানে সাপ এবং মাকড়শার ছবি, তার ঠিক উপরে লেখা:

দুর্বল মনের মানুষের জন্য নয়! বিধি নিষেধ প্রযোজ্য!

‘সার্ক দু ফ্রিক?’ আমি বিড় বিড় করে বললাম। সার্ক হল সার্কাসের ফ্রেঞ্চ…ফ্রিকের সার্কাস …এটা কি একটা অস্বাভাবিক মানুষদের প্রদর্শনী? দেখে তো তাই মনে হচ্ছে!

আমি আর একবার ফ্লায়ারটা পড়া শুরু করলাম। সার্কাস খেলোয়ারদের ছবি এবং বনর্নায় বুঁদ হয়ে ছিলাম। সত্যি বলতে কি, এতটাই মগ্ন হয়ে ছিলাম যে ক্লাসে স্যারের উপস্থিতির কথা একেবারেই ভুলে গেছিলাম। আমার তখনই স্যারের কথা মনে পড়লো যখন দেখলাম সমস্ত রুম চুপ। মাথা তুলে তাকিয়ে দেখি ক্লাসে্র একেবারে সামনে স্টীভ একা দাঁড়িয়ে। আমার দিকে তাকিয়ে জিভ বের করে দাঁত কেলিয়ে হাসছে। আর তারপরই আমার ঘাড়ের কাছের লোম দাঁড়িয়ে যেতে আমি ঘাড় ঘুরিয়ে পিছনে তাকিয়ে দেখি স্যার এতক্ষন আমার পিছনে দাঁড়িয়ে চুপ করে ফ্লায়ারটা পড়ছিলেন।

আমার হাত থেকে কাগজটা প্রায় কেড়ে নিতে নিতে বললেন, ‘কি এটা’?

-এটা প্রচারপত্র, স্যার।

-পাইছিস কোথায়? দেখে মনে হচ্ছিল তিনি প্রচন্ড রেগে গিয়েছেন। উনাকে আগে কখনোই এতটা রাগতে দেখিনি।

-কোথায় পাইছিস? তিনি আবারও জিজ্ঞাসা করলেন।

ভয়ে ঠোঁট কামড়ালাম। বুঝতে পারছিলাম না কি উত্তর দেবো। আমি মরে গেলেও এলানের নাম বলব না, আর এটাও জানি এলানও নিজে থেকে কখনোই স্বীকার করবেনা। আমরা, এলানের সবচেয়ে কাছের বন্ধুরা জানি যে এলান কতটা ভীতু। কিন্তু আমার মাথা ভয়ে ঠিকমত কাজ করছিলনা তাই চট করে একটা মোক্ষম মিথ্যা বানাতে পারছিলামনা।

ভাগ্যক্রমে স্টীভ হাল ধরল, ‘স্যার, ওটা আমার’।

স্যার চোখ পিট পিট করে বললেন, ‘তোর’?

-বাস স্ট্যান্ডের কাছে পাইছি স্যার, একটা বুড়া লোক ফেলে দিয়েছিল। কি আছে দেখার জন্য তুলে এনেছি। ক্লাস শেষে এইটা সম্পর্কে আপনাকে জিজ্ঞেস করতে যাচ্ছিলাম।

-ওহ্ তাই!

স্যার খুশী-খুশী ভাব চেপে রাখার চেষ্টা করলেও আমি বেশ বুঝতে পারছিলাম যে তিনি মনে মনে ঠিকই খুশী হয়েছেন।

-তা হলে তো অন্য কথা। জানার ইচ্ছে থাকা ভাল। যা, বস।

স্টীভ বসল আর ডাল্টন স্যার ফ্লায়া্রটাকে একটা থাম্বট্যাক দিয়ে বুলেটিন বোর্ডে গেঁথে রাখলেন।
ফ্লায়ারটার উপর টোকা দিতে দিতে বললেন, ‘অনেক আগে, আসল ফ্রিক প্রদর্শনী হত। ঠগ, লোভী লোকরা বিকলাঙ্গ মানুষদেরকে খাঁচায় ভরে রাখত…’

-স্যার, বিকলাঙ্গ মানুষ মানে কি? কে যেন প্রশ্ন করল।

-যেমন কোনো একজন মানুষ যে দেখতে অন্য আট-দশজন সাধারন মানুষের মত না। যেমন তিন হাত অথবা দুই নাকওয়ালা মানুষ; পা নাই এমন কেউ; খুব খাট বা খুব লম্বা মানুষ। ঠগরা এই সব মানুষদেরকে খাচায় পুরে অন্য সাধারন মানুষদেরকে দেখাতো এবং বলতো ওরা নাকি ‘ফ্রিক’, অর্থাৎ উদ্ভট। অথচ এদের এই শারীরিক ত্রুটি বাদে সবই আমাদের মত। ঠগরা এই সব ‘বিকলাংগ মানুষ বা ফ্রিকদের দেখিয়ে সাধারন মানুষদের কাছ থেকে পয়সা নিত। ফ্রিকদের নিয়ে ঠাট্টা করতে দিত। ওরা ফ্রিকদের সাথে পশুর মত ব্যাবহার করতো। খুব অল্প পয়সা দিত, মারত, ছেঁড়া কাপড়ে পরতে দিত আর গোসল করার অনুমতিও দিত না।

-কি নিষ্ঠুর! সামনের দিকে বসা ডেলাইনা প্রাইস নামের মেয়েটা বলে উঠল।

-হ্যাঁ। ফ্রিক শো খুব নিষ্ঠুর এবং জঘন্য প্রদর্শনী। তাই এটা দেখে রেগে গেছিলাম।

ফ্লায়ারটা ছিড়ে ফেলতে ফেলতে বললেন। ‘ফ্রিক প্রদর্শনী অনেক বছর আগে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কিন্তু প্রায়ই গুজবে শোনা যায় যে এখনও ওরা তৎপর আছে’।

-আপনি কি মনে করেন যে সার্ক দু ফ্রিক আসলেই ফ্রিক শো? আমার জিজ্ঞেস করলাম।

স্যার আবার ফ্লায়ারটা পড়লেন। তারপর মাথা ঝাঁকিয়ে বললেন, ‘মনে হয় না, এটা সম্ভবত একটা বাজে ধরনের চালাকি’। কিছু থেমে আবার বললেন ‘আর যদি সত্যিই হয়… আমি আশা করি আমাদের মাঝে কেউ এটা দেখতে যাওয়ার চিন্তা করবে না।’

-না স্যার, না। আমরা সবাই বেশ তাড়াতাড়ি বলে উঠলাম।

-কারণ ফ্রিক শো খুবই অমানবিক। ওরা আসল সার্কাসের মত হবে বলে ভাব ধরলেও, আসলে শয়তানীর আড্ডা। আর যারা ওখানে যায়, তারাও ওদের মতই খারাপ।

স্টীভ বলে উঠল- ‘ওখানে শুধু প্রচন্ডরকম বিকৃ্ত মানসিকতার মানুষরাই যেতে পারে।’

আর তারপর আমার দিকে তাকিয়ে চোখ টিপে ইশারায় বললঃ ‘আমরা যাচ্ছি!’


Did it appear as though I was going to write a review of a very nice Bed and Breakfast place? Such was not my motive. I would like to introduce to you the all new “Beauty and the Beast” (2009) directed by David Lister, and casting Estella Warren (Belle), Rhett Giles (sexy count Rudolph), Victor Parascos (Beast… for the last 1 minute of the movie) and Vanessa Gray (Helen the witch). I would also like to persuade you to NOT see the movie. Why? Well, here are the reasons:

  1. I am yet to hear/read from a single source (literary of otherwise) that  medieval women/girls wear mini dresses (yes, coming exactly to half-length of her thighs, then revealing some awesome cleavage *blushes*) with a leather, form-fitting vest and extremely well made leather calf-length boots. Well, somebody tried to imitate the tomb-raider. The color combination of the (only) dress on Belle was nice though, but the authors could have tried brown boots for a fashion boost.
  2. Beats me why all the other girls were wearing full length dresses with frills AND head scarves while Belle was clearly not appropriately dressed.
  3. When Belle goes into the forest for the first time to collect herbs… she struggles for her life to imprint on the viewers the notion of personal interest in the particular occupation. Reminded me of scenes preceding “the action” in porn movies… time killer to get in the action. Should I mention that action starts pretty soon?
  4. The horses move awfully slow…. How did Belle and the beast EVER manage to get away from the executioners?
  5. Blood purges EVERYWHERE!!! I mean EVERYWHERE!!! It reminded me a little of the effects used in the black and white Dracula movie. Especially the beheading of Helen.
  6. Helen’s character was cliché!
  7. For no reason, once the COUNT has been killed, beast turns back into the Prince he really is. From common fairytales, Ii would appear that beast would turn human once the witch was killed. From the storyline, he should turn back once the Troll has been killed. But NO!!! He turns into a Princely looking (very-average-Joe-like) person once count Rudolph is killed.
  8. Count Rudolph maintains the same expression throughout the whole movie. Reminded me of the constant expression of Bella in Twilight. Not exciting.
  9. It has a rating of exactly 2.4/10 in IMDB site as of the moment of writing this review. Enuf sed?

Two pluses in the whole movie:

1. Helen screams “How dare you?” from her bodyless head (after Beast had chopped it off). Then immediately falls silent.

2. Rhett Giles looks too sexy to be true… :P… and the stubbles looked vey scratchable 😛 *scratches*

This movie has all the elements of a film produced for the low income population of Bangladesh. The movies we ridicule while in the company of “educated” family and friends. You could just as well watch one of those. Chances are, those will be a little more funny. Hence a little more bang for the buck.

লাল মখমল গালিচা,
সবুজ আঙ্গুর
শত দাসীর সর্বক্ষন আনাগোনা
অথবা রাজ-কবির নতুন কবিতা,
পর্দার ওপাশ থেকে শোনা-
এসব আমার আগেই ছিল।

তোমার কাছে নতুন করে বিলাস চাইনি।
ভালোবাসা মাখা নির্ভার দিন চেয়েছিলাম।
রাজ-কুটনীতিহীন ভালোবাসা চেয়েছিলাম।
আমি সম্রাজ্ঞী, তবু আমি ঘর চেয়েছিলাম।
ভালোবাসায় এক বুক বেঁধেছিলাম।

তবুও তুমি অগুনতি সম্রাটদেরই একজন রয়ে গেলে।
আর সর্ব-যুগের অগুনতি রানীমাতাদের মতন
আমি আবারও হেরে গেলাম।
আমার সম্রাজ্যের রাজ-নর্তকীর কাছে।

তবুও প্রজারা আমাকেই রানী মানল।
স্বসম্মানে সুখী সম্রাজ্ঞীর মুখোশ পরে রইলাম।
রাজ্যের শান্িতর জন্য।

যদি আজ তোমার আমার দু’জনার মুখোশই খুলে দি?

সে কী হারাবে?
হারাব শুধু আমি।
তাই আজও আমার মুখোশ
স্বগর্বে স্ব-অস্তিত্ব প্রমান করে যায়।

বহু স্তরে স্তরে বাস্পকুন্ডলীদল পাঁক খেয়ে খেয়ে উর্ধে হারায়।
ফিরে আসে। থেমে থাকে।

তারা সবাই ছোটে।

আমার পাশে
তোমার পাশে
তাহার পাশে।
কেন্দ্রবিন্দু থেকে গোলকের চারিধার আমার হূদয়।
স্তরে স্তরে সাজানো হাজারও বাস্পায়িত ভালোবাসার দল।
আমার মাঝে
তোমার মাঝে
তাহার মাঝে।

একই ভালোবাসা
হাজার রঙ্গে
হাজার ঢঙ্গে
হাজার মনকে
হাজার ভাবে।
হাজার বাস্পায়িত রঙ্গে।

lal mKml gailca,

sbuj V˜ur

St dasIr sàbQn Vnaegana

ATba raj-kibr ntun kibta,

pàdar wpaS ŸTek ŸSana-

…sb Vmar Veg† iCl|

Ÿtamar kaeC ntun ker iblas ca†in|

Baelabasa maKa inàBar idn ŸceyiClam|

raj-kšFnIitHIn Baelabasa ŸceyiClam|

Vim smãa¯I, tbu Vim Gr ŸceyiClam|

Baelabasay …k buk ŸbƒeDiClam|

tbuw tuim A§nit smãaFedr† …kjn rey Ÿgel|

Vr sàb-Zuegr A§nit ranImataedr mtn

Vim Vbarw ŸHer Ÿglam|

Vmar smãaejYr raj-nàtkIr kaeC|

tbuw pãjara Vmaek† ranI manl|

÷sÚmaen suKI smãa¯Ir mueKaS per r†lam|

raejYr Saiǻr jnY|

Zid Vj Ÿtamar Vmar du’jnar mueKaS† Kuel id?

Ÿs kI Haraeb?

Harab ìDu Vim|

ta† Vjw Vmar mueKaS

÷geàb ÷-Aió»tÔ pãman ker Zay|

Hello you all darlings and whoever else reading this! This blog is entirely about ME ME ME and the things I think about and the things I do.

As such, please feel free to think of this blog as the RANDOMEST blog ever. I will be doing anime, manga, (YAOI hehe)  and movie reviews. I will post my short and long stories, all the poems and songs I have ever written and hell, I’ll even write the stuff I think when I’m sitting in a park bench. Not to mention, I *might* be writing NORMAL posts about politics too (do not count on THAT too much though)!!

Finally, I warn you that I will be using 4 different languages at the very least to articulate my emotions… SO if at some point, going through my posts you feel that you head is about to explode, please comment using profanity. I definitely will not mind. Cuz I’ll reply with abundant profanity as well.

HUH… I dont think that was a very PAINFULLY EGOTISTICAL piece!